কুরআনকুরআন তোমাকে কি বলে

নিয়ামাতের শুকরিয়া… পর্ব ১

175 বার পড়া হয়েছে।

فَاذْكُرُونِي أَذْكُرْكُمْ وَاشْكُرُوا لِي وَلَا تَكْفُرُونِ

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যার নিআমাতে আমরা ডুবে আছি। সামনে পিছনে, ডানে বামে, উপরে নীচে যে দিকেই তাকাই শুধু তাঁর নিআমাত। নিজের দিকে যদি দেখি সেখানেও ভরে আছে তাঁর নিআমাত।  অপরের দিকে যদি দেখি সেখানেও তাঁর নিআমাত। যদি উপভোগ্য জিনিসের দিকে দেখি সেখানেও তাঁর নিআমাত। বিজ্ঞানের দিকে দেখলেও সেখানে তাঁর নিআমাত। যদি গণনা করতে যাই তবে তাঁর নিআমাত গণনা করাতো দুরের কথা; কত শত যে নিআমাত আছে সেগুলোর সবটা আমরা উপলব্ধিও করতে পারবো না।  আল্লাহ তায়ালা বলেন,  (وَإِنْ تَعُدُّوا نِعْمَةَ اللَّهِ لَا تُحْصُوهَا إِنَّ اللَّهَ لَغَفُورٌ رَحِيمٌ (النحل 18  যদি তোমরা আল্লাহর নিয়ামাত গণনা কর, তাহলে শেষ করতে পারবে না, নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।

এতগুলো নিআমাত যে আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে দান করলেন এই নিআমাতগুলো পেয়ে আমাদের কি কোন করনীয় আছে? বান্দা যদি কৃতজ্ঞশীল হয় তবে তার দায়িত্ব হল নিআমাত দাতার শুকরিয়া আদায় করা। শুকরিয়া আদায় করলে নিআমাতগুলো বেড়ে যাবে আর নিআমাতের অস্বীকার করলে আল্লাহ তায়ালা জানিয়ে দিয়েছেন, আমার আযাব বড় শক্ত। এছাড়া নিআমাত সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, কিয়ামাতের দিনে (হিসাবের দিনে) অবশ্যই তোমাদের (সকল প্রকার) নিআমাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে। অতএব আমাদের উপর অতি আবশ্যক হল সকল প্রকার আল্লাহ প্রদত্ত নিআমাতের উপর শুকরিয়া আদায় করা। একথা জানার পর আমাদেরকে জানতে হবে শুকরিয়া আদায়ের পদ্ধতি কী। কারণ পদ্ধতি না জানলে সঠিকভাবে শুকরিয়া আদায় করা সম্ভব হবে না। হতে পারে পদ্ধতির ভুলের কারণে আমরা শুকরিয়া আদায়ের ফাজিলাত থেকে বঞ্চিত হব অথবা আংশিক আদায়ের কারণে আংশিক সাওয়াবের অধিকারি হব ফলে পূরা সাওয়াবের অধিকারি হতে পারবো না। পুরা সাওয়াব পেতে গেলে আমাদেরকে পুরা তরীকা জানতে হবে এবং তার উপর আমাল করতে হবে। এবার জানা যাক প্রকৃতপক্ষে নিআমাতের শুকরিয়া কতগুলো বিষয়কে শামিল করে। কয়টি দিক লক্ষ্য করে শুকরিয়া আদায় করলে কামিল শুকরিয়া আদায় হবে এবং আমরা পুরা সাওয়াবের অধিকারি হতে পারবো।

শুকরিয়া মূলত তিনটি পদ্ধতিতে আদায় করতে হয়। এর প্রত্যেকটির আছে আবার কয়েকটি করে শাখা। মূল তিনটি হল, (ক) ক্বলবের দ্বারা শুকরিয়া, (খ) যবানের দ্বারা শুকরিয়া, (গ) অঙ্গ প্রতঙ্গ দ্বারা শুকরিয়া।

এই তিনটির শাখা ও তার সম্পর্কে আলোচনাঃ   (এক) ক্বলবের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায়। ক্বলবের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় হলঃ

(১) الاِعْتِرَافُ بِالنِّعَمِ لِلْمُنْعِمِ নিআমাত দাতার নিআমাতকে স্বীকার করা। আম্মাজান হযরত আয়িশা (রা.) থেকে বর্ণিত একটি মারফু’ হাদীছে বর্ণিত আছে, “مَا أَنْعَمَ اللَّهُ عَلَى عَبْدٍ نِعْمَةً فَعَلِمَ أَنَّها مِنْ عِنْدِ اللَّهِ إِلَّا كَتَبَ اللهُ لَهُ شُكْرَهَا” আল্লাহ তায়ালা কোন বান্দাকে কোন নিআমাত দান করার পর সে যদি জানে যে এটা আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে এসেছে তাহলে আল্লাহ তায়ালা অবশ্যই তাকে শুকরিয়া আদায় করার সাওয়াব দান করবেন।

(২) وَأَنَّهَا مِنْهُ আর এটাও স্বীকার করা যে, এই নিআমাত তার থেকেই এসেছে। প্রাপ্ত নিআমাত কে দিয়েছেন, কোথা থেকে আমি নিআমাতকে পেয়েছি সেটা জানা। বিবেকের চাহিদাও এটা যে মানুষ তার শুকরিয়া আদায় করে যার সম্পর্কে সে জানে যে, ইনিই আমার অনুগ্রহদাতা।

(৩) وَبِفَضْلِهِ একথাও জানা যে এই নিআমাত তার বিশেষ অনুগ্রহ ও কৃপায় আমি লাভ করেছি। এই কথার অনুভুতি যদি না থাকে তবে প্রত্যেক নিআমাত দ্বারা বান্দার মধ্যে অহংবোধ জাগ্রত হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা থাকবে। যেমন ইলমের অধিকারি হওয়া, নেতৃত্ব পাওয়া, কোন বিশেষ পদে অধিষ্ঠিত হওয়া, ধনের মালিক হওয়া ইত্যাদি। বান্দা যদি একথা সত্যিকার অর্থেই জানতে পারে যে, এই নিআমাতগুলো আমার রব থেকেই পেয়েছি এর কোন কতৃত্ব আমার নেই তবে অহংকারের স্থানে তার বিনয় সৃষ্টি হবে ইনশাআল্লাহ। এই জন্য অনেক শাইখ একথা বলেছেন যে, অহংকার বিনাশের বড় একটা প্রতিষেধক হল সত্যিকার অর্থে শুকর আদায় করা।

(৪)  مَحَبَّةُ اللهِ عَلَى نِعَمِهِ আল্লাহ তায়ালাকে তাঁর প্রদত্ত নিআমাতের ভিত্তিতে মাহাব্বাত করা। এই বিষয়টিই হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) এর একটি হাদীছে বর্ণিত হয়েছে- তিনি বলেন, أَحِبُّوْا اللَّهَ لِمَا يَغْذُوْكُمْ بِهِ مِنْ نِعَمِهِ ” আল্লাহ তায়ালা তোমাদেরকে যে নিআমাত দান করেছেন তার বিনিময়ে তোমরা (শুকরিয়া আদায়ের মাধ্যমে) তাঁকে মাহাব্বাত করো। কেউ কেউ বলেন, স্বভাবগতভাবে মানুষ যেহেতু নিআমাতদাতাকে মাহাব্বাত করে অতএব আর্শ্চয লাগে, যে একমাত্র আল্লাহ তায়ালাকে নিআমাত দাতা হিসাবে স্বীকার করে না! (যদি স্বীকার করে তবে কেন তাঁকে সত্যিকার অর্থে মাহাব্বাত করে না) কেন সে তার সবকিছু নিয়ে তাঁর দিকে ধাবিত হয় না।  এক কবি বলেন,    إِذَا أَنْتَ لَمْ تَزْدَدْ عَلَى كُلِّ نِعْمَةٍ. . . لِمُؤْتِيْكَهَا حُبًّا فَلَسْتَ بِشَاكِرٍ

যদি প্রতিটি নিআমাতের বদলায় নিআমাত দাতার প্রতি তোমার মাহাব্বাত বেড়ে না যায়, তাহলে তুমি শুকরগুযার নও। এই চারটি আদায় করতে পারলে শুকরের তিনভাগের একভাগ আদায় করা সম্ভব হবে।

এক কথায়, প্রথমে নিআমাতকে চিনতে হবে জানতে হবে, এরপর কে নিআমাতকে দান করেছেন তাকে জানতে হবে, এরপর এই নিআমাতকে কি আমি নিজ যোগ্যতায় পেয়েছি না কারো বিশেষ কৃপায় পেয়েছি তা জানতে হবে তারপর নিআমাত জেনে নিআমাতদাতাকে চিনে তার কৃপা স্বীকার করে নিআমাত দাতার প্রতি মাহাব্বাত পয়দা করতে হবে।

উদাহরণঃ যেমন চোখ। এটা আমাদের কোন নিআমাত কিনা তা উপলব্ধি করতে হবে। এরপর দেখতে হবে কে আমাকে এই চোখটি দান করেছেন, তারপর বুঝতে হবে এটা কি আমি কোন যোগ্যতার বিনিময়ে পেয়েছি, না আল্লাহ তায়ালার বিশেষ কৃপায় পেয়েছি। এরপর… আল্লাহ আমাকে চোখ দান করেছেন ফলে আমি একটি নিআমাত লাভ করেছি। এই চোখ আল্লাহ তায়ালাই আমাকে দান করেছেন কোন কিছুর বিনিময়ে নয় বরং খালিছ তাঁর বিশেষ দয়া আর অনুগ্রহে আমি তা লাভ করেছি।  অতএব আল্লাহর অনুগ্রহে তাঁর পক্ষ থেকে চোখের মত একটা নিআমাত যে আমি লাভ করেছি এই জন্য তাঁর প্রতি গভীর মাহাব্বাত সৃষ্টি করা। আর মাহাব্বাত লাভ হয়েছে বুঝতে হবে এভাবে যে আমি আমার মাশুকের পছন্দে সকল কাজকে ঢেলে সাজানোর চেষ্টা করছি এবং অবশেষে তা পেরেছিও।

আল্লাহ তায়ালা বলেন,  صِبْغَةَ اللَّهِ وَمَنْ أَحْسَنُ مِنَ اللَّهِ صِبْغَةً وَنَحْنُ لَهُ عَابِدُونَ البقرَة – 138  তোমরা আল্লাহর রঙে রঙিন হয়ে যাও; আল্লাহর রং এর চাইতে আর উত্তম রং কার হতে পারে? আমরা তারই ইবাদাত করি।

(দুই) যবানের দ্বারা শুকর। এর আছে আবার কয়েকটি উপবিভাগ। যেমন, (১) الثَّنَاءُ بِالنِّعَمِ নিআমাতের প্রশংসা করা।

(২) ذِكْرُهَا নিআমাতের বর্ণনা করা। হযরত ওমার ইবনে আবদুল আযীয (র.) বলেন, নিআমাতের বর্ণনা দেওয়া হল তার শুকরিয়া আদায়। তিনি তার দুআর মধ্যে বলতেন, “اللَّهُمَّ إنِّي أعوذُ بِكَ أَنْ أُبْدِلَ نِعْمَتَكَ كُفْرًا، وَأَنْ أَكْفُرَهَا بَعْدَ مَعْرِفَتِهَا أَوْ أَنْسَاهَا فَلَا أُثْنِي بِهَا” ইয়া আল্লাহ আমি আপনার নিআমাতকে কুফুরী দিয়ে পরিবর্তন করা থেকে পানাহ চাই। আপনার নিআমাত জানার পর চেনার পর সেগুলো অস্বীকার করা থেকে আপনার কাছে পানাহ চাই। আর আপনার নিআমাত ভুলে যেয়ে আপনার নিআমাতের প্রশংসা করতে অক্ষম হওয়া থেকেও আপনার কাছে পানাহ চাই।

এমন যেন না হয় যে, আমি আপনার নিআমাতের কথা ভুলো গেছি ফলে ঐ নিআমাতগুলোর শুকর আদায় করতে পারলাম না।

বুজুর্গদের অবস্থা এমন ছিল যে, একদা একরাতে হযরত ফুযাইল (র.) এবং হযরত ইবনে উয়াইনা (র.) রহ. আল্লাহর প্রশংসা করতে বসেছিলেন। প্রশংসা করতে করতে তারা সকাল করে ফেলেন। আমাদেরও জীবনের কিছু রাত, কিছু সময় এমনভাবে অতিবাহিত করা উচিত। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে তাওফীক নসীব করুন।

(৩) تَعْدَادُهَا সাধ্যমত প্রদত্ত নিআমাতের গণনা করা। বান্দার কাছে যত বেশি নিআমাত ধরা পড়বে তত বেশি শুকরিয়া আদায় করা সম্ভব হবে। যেমন, চোখ, কান, ধন সম্পদ বাদেও এমন অনেক নিআমাত আছে যেগুলো সাধারণভাবে আমরা নিআমাত বলে মনে করি না। যেমন একজন কোথায়ও গমনের উদ্দেশ্যে বের হল। অপেক্ষা ছাড়াই সে একটা গাড়ি পেয়ে গেল। গাড়িতে ঢুকতেই ভালো একটা সিটের ব্যবস্থা হল। রাস্তায় কোন যানজটের সম্মুখিন হতে হল না। সময়মত গন্তব্যে পৌঁছে গেল। এগুলোকে আমরা সাধারণত কোন নিআমাত বলে মনে করি না । নিআমাতের তালিকায় এগুলোকে লিপিবদ্ধও করি না।  ফলে এগুলোর জন্য কোন শুকরিয়াও আদায় করি না। এই জন্য আমাদেরকে নিআমাতের হিসাব করা শিখতে হবে। এর জন্য যখন আমরা ঘুমাতে যাই তখন সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত যে সকল নিআমাত লাভ করেছি, যেগুলো বুঝতে পেরেছি আর যেগুলো বুঝতে পারিনি সকল প্রকার নিআমাতের জন্য আল্লাহ তায়ালার শুকরিয়া আদায় করা দারকার। বিভিন্নভাবে বলা যেতে পারে। এভাবেও বলতে পারেন ইয়া আল্লাহ আমি আপনার যতগুলো নিআমাত জানতে পেরেছি অথবা যেসব নিআমাত জানতে পারিনি সকল প্রকার নিআমাতের জন্য  আপনার প্রশংসা করছি আর তার শুকরিয়া আদায় করছি।

(৪) إِظْهَارُهَا নিআমাতের প্রকাশ করা।  হযরত নুমান ইবনে বাশীর (রা.) থেকে বর্ণিত একটি মারফু’ হাদীছে আছে যে, নিআমাতের বর্ণনা করা হল শুকরিযা আর অস্বীকার করা হল কুফরী।

(তিন)  الشُّكْرُ بِالْجَوَارِحِ অঙ্গ প্রত্যঙ্গের শুকরিয়াঃ এখানে দু’টি বিষয়কে সামনে রাখতে হবে।

(ক)  أَنْ لَا يُسْتَعَانَ بِالنِّعَمِ إِلَّا عَلَى طَاعَةِ اللهِ عَزَّ وجلَّ আল্লাহর নিআমাতকে একমাত্র আল্লাহ তায়ালার ইবাদতের জন্যই ব্যবহার করা। অর্থাৎ ঐ নিআমাতগুলোকে সহায়ক শক্তিরূপে ব্যবহার করে একমাত্রই আল্লাহ তায়ালার আনুগত্যে কাজে লাগানো। আল্লাহ প্রদত্ত নিআমাত আল্লাহর ইবাদাতেই ব্যবহার করা।

(খ) أَنْ يُحْذَرَ مِنْ اِسْتِعْمَالِهَا فِي شَيْءٍ مِنْ مَعَاصِيْهِ এই নিআমাত গুলোকে আল্লাহর নাফারমানীর কাজে ব্যবহার করা থেকে সতর্ক থাকা।  কোন অবস্থাতেই এই নিআমাতগুলোকে গোনাহের কাজে ব্যবহার না করা।  যেমন আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে মেধা দিয়েছেন।  এই মেধাকে শরীয়তের কাজে লাগানো। মেধাকে এমন কাজে লাগানো যে কী করে মানুষ আল্লাহকে চেনে, তাঁর রসূলকে চেনে, কিতাবকে চেনে, কিভাবে মানুষ শরীয়তের উপর ওঠে, কিভাবে ইছলামের বিপরীত কার্যকলাপ বিনাশ করা যায় তার পরিবর্তে ইছলামী কার্যকলাপ জেগে ওঠে ইত্যাদি। এর পরিবর্তে এমন জায়গায় মেধাকে ব্যবহার না করা যে, কোন পদ্ধতি অবলম্বন করলে অবৈধ টাকা অর্জন করা যায়, কীভাবে টাকা খাটালে অধিক লাভ পাওয়া যায় অর্থাৎ সুদ, কীভাবে চেষ্টা করলে শরীয়ত বহির্ভূত কার্যকলাপ দুনিয়াতে চালু হবে যেমন খেলাধুলা, নাচ গান, সিনেমা ইত্যাদি।

নিআমাতকে পেয়ে নিআমাতকে এভাবে ব্যবহার করা যে, তার দ্বারা আল্লাহর আনুগত্য হবে, গোনাহের কাজে ব্যবহৃত হবে না।  হযরত ইবনে মুনকাদির এক যুবকের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। ঐ যুবকটি তখন তার স্ত্রীকে শাসাচ্ছিলেন।  ইবনে মুনকাদির ঐ যুবককে বললেন, “يَا بُنَيَّ مَا هَذَا جَزَاءُ نِعْمَةِ اللَّهِ عَلَيْكَ ” হে বৎস্য! এই কি তোমার উপর আল্লাহ প্রদত্ত নিআমাতের প্রতিদান। অর্থাৎ আল্লাহ তায়ালা তার উপর তোমার একটা প্রভাব দিয়েছেন তাই তুমি তার উপর অন্যায়ভাবে শাসাচ্ছো। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে যতটুকু যার উপরে ক্ষমতা দিয়েছেন সেই ক্ষমতার দিকে লক্ষ্য করে ইবনে মুনকাদিরের সতর্কবাণীটাকে একবার হলেও চিন্তা করি।

আমাদের দায়িত্ব কী?…

চলবে ইনশাআল্লাহ

0 0 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

Comment here